শ্রী শ্রী লোকনাথ মন্দিরের ভক্ত সম্মেলনে সভাপতি নন্দিতা দাশ, সম্পাদক অঞ্জন ধর 


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০৮:৩১ পিএম, ২০২৫-১২-২৬

শ্রী শ্রী লোকনাথ মন্দিরের ভক্ত সম্মেলনে সভাপতি নন্দিতা দাশ, সম্পাদক অঞ্জন ধর 

রাঙামাটির ভেদভেদীস্থ শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম মন্দিরে এক বিশেষ ভক্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে রাঙামাটির সনাতনী সমাজ ও লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ভক্তদের সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বে স্থগিতকৃত কমিটি বাতিল করে আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নন্দিতা দাশকে সভাপতি, অঞ্জন ধরকে সাধারণ সম্পাদক, রনজিত ধরকে অর্থ সম্পাদক এবং সুমন দাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করে নতুন কমিটির শুভ সূচনা করা হয়। একই সঙ্গে গঠনতন্ত্র মোতাবেক আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের আহ্বায়ক আশীষ কুমার দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ভক্ত সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ রাঙামাটির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙামাটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি স্বপন কান্তি মজাহন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট রাঙামাটির আহ্বায়ক নন্দিতা দাশ, রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনতোষ মল্লিক, পুরোহিত কল্যাণ সমিতির সভাপতি নির্মল চক্রবর্তী, সিনিয়র সনাতনী নেতা ও সাবেক প্রধান শিক্ষক সত্য নন্দীসহ বিভিন্ন মঠ-মন্দির ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সাবেক কমিটির সভাপতি কুশল চৌধুরী, শ্রী শ্রী গীতাশ্রম মন্দিরের সহ-সভাপতি রাজু প্রসাদ দে, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য রূপন শীল, সনাতন যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাজু শীল এবং কালিন্দীপুর নিবাসী উত্তম দেবনাথসহ অন্যান্য ভক্তবৃন্দ।

সভায় অভ্যন্তরীণ বিষয়াদি, চলমান সমস্যা নিরসন, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ, আহ্বায়ক কমিটির বিগত চার মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন, স্থগিতকৃত কমিটির অডিট রিপোর্ট পেশসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় মন্দির পরিচালনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি আগামী দিনের জন্য সাতটি প্রস্তাবনা উত্থাপন করে।

ভক্ত সম্মেলনে প্রায় দুই শতাধিক সনাতনী ও লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে পুরাতন কমিটি ও চার মাসের জন্য গঠিত আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন তিন বছরের জন্য আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যার মধ্যে চারটি পদ-পদবী ঘোষণা করা হয়। এই কমিটি পরবর্তীতে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে।